এবার পুতিনকে ‘কসাই’ বললেন বাইডেন - Vikaspedia

এবার পুতিনকে ‘কসাই’ বললেন বাইডেন

প্রায় ১ মাসের বেশি সময় থেকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন চলেছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধপরিস্থিতি এই দীর্ঘ সময়েও কোনো সমাধানের মুখ দেখেনি বরং পরিস্থিতি বর্তমানে আরো অবনতির দিকে। এতিমধ্যেই বিশ্বের প্রায় সব দেশ এই আগ্রাসনের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সমালোচনায় মেতেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে কসাই হিসেবে অভিহিত করেছেন। পোল্যান্ডের ওয়ারসতে ইউক্রেনের শরণার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন বাইডেন। এরপরই পুতিনকে কসাই নামে ডাকেন তিনি। এর আগে রুশ প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধাপরাধী বলেছিলেন জো বাইডেন।

ইউক্রেনের শরনার্থীদের সঙ্গে দেখা করার পর বাইডেনের সঙ্গে থাকা সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেন পুতিনকে তার কি মনে হয়। এ প্রশ্নের জবাবে বাইডেন বলেন, পুতিন একজন কসাই।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এর আগে কখনো এত কড়া ভাষায় পুতিনের সমালোচনা করেননি।
তাছাড়া শরনার্থী শিশুদের নিয়ে কথা বলেন বাইডেন। তিনি বলেন, এটি অসাধারণ। অসাধারণ। দেখুন এ শিশুদের তারা শুধুমাত্র আপনাকে জড়িয়ে ধরতে চায়। শুধুমাত্র ধন্যবাদ দিতে চায়। আর এটি আপনাকে অত্যন্ত গর্বিত করে। বাইডেন আরও বলেন, এখানে থাকা প্রত্যেকটি শিশুই জানিয়েছে, তাদের বাবা, দাদা বা ভাইয়ের জন্য প্রার্থনা করতে যারা ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমি জানি আপনার কোনো আত্মীয় যখন যুদ্ধক্ষেত্রে থাকে বিষয়টি কেমন। প্রতিদিন সকালে আপনি ঘুম থেকে ওঠেন আর ভাবে যেন সেই (মৃত্যুর খবর) ফোন কল না আসে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কয়েক বছর আগে আবেদন করে ইউক্রেন। মূলত, এ নিয়েই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর মধ্যে ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী দেশ’ হিসেবে মনোনীত করায় দ্বন্দ্বের তীব্রতা আরও বাড়ে। ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে যুদ্ধ শুরুর দুই মাস আগ থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রাখে মস্কো। কিন্তু এই কৌশল কোনো কাজে না আসায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া। ঠিক তার দুদিন পর ২৪ তারিখ ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে।

সুত্রঃ সিএনএন