কখন মেয়েদের যৌ’’ন চাহিদা বেশি থাকে? - Vikaspedia

কখন মেয়েদের যৌ’’ন চাহিদা বেশি থাকে?

মেয়েদের যৌ’ন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌ’ন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী।১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌ’ন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়। ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌ’নকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌ’নকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।

মেয়েরা রো’মান্টিক কাজকর্ম যৌ’ন কর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দকরে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌ’ন কর্মের s’ex চেয়ে বেশী মজা পায়। মেয়েরা অ’র্গ্যাজম করে ভ’গাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অ’র্গ্যাজমে কোন বী’র্য বের হয় না। তবে পেটে প্র’স্রাব থাকলে উ’ত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের ”বী’র্যপাত” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।

ভ’গাংকুরের মাধ্যমে অ’র্গ্যাজমের জন্য সে’ক্সের কোন দরকার নেই। যো’নিতে পে’নিস ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অ’র্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম। মেয়েদের girls যো’নির সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, পে’নিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পে’নিসের দরকার হয় না। বাচ্চা ছেলের পে’নিসও এই মজা দিতে পারে।

আরো পড়ুন: মেয়েদের বুকের দিকে কেন তাকায় ছেলেরা?

বলা হয়, পুরুষ সৌন্দর্যের পূজারী এবং নারী হলো সৌন্দর্যের আধার। রূপক অর্থে নারীকে তাই কখনও দেবীর সঙ্গে তুলনা করা হয়। পুরুষ যেন সেই দেবীর গুণমুগ্ধ একজন পূজারী। নারীর শারীরিক সৌন্দর্য ছাড়াও চেহারা, চুল, কথা কিংবা হাসি যাই বলা হোক না কেন, পুরুষ যেন এসবের গুণমুগ্ধ গুণবিচারী।
তবে নারীর সব সৌন্দর্য উপকরণের মধ্যে যে দিকটি পুরুষের মনে জায়গা করে নেয় সহজেই এবং যা সেই মনে বসবাসও করে দীর্ঘদিন, তা হলো নারীর দাঁত। ম্যাচ ডটকম নামের একটি অনলাইন পোর্টাল এমনটাই জানিয়েছে।

হলিউড হোক বা এই বাংলার টলিপাড়া, কোনও সেলিব্রিটি রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য যে জিনিসটি সবচেয়ে জরুরি তা হল, একটি চোখ ধাঁধানো সাদা হাসি।তবে পছন্দের কোনো পুরুষকে নির্বাচন করার ক্ষেত্রেও মুক্তোর মতো দাঁত অনেক বড় ভূমিকা রাখে। সমীক্ষা শেষে ম্যাচ ডটকমের বক্তব্য, ‘পুরুষ প্রথম একজন মহিলার দাঁতের দিকে নজর দেয়।’ কোনও পুরুষ তাঁর সঙ্গী নির্বাচনে নারীর কোন কোন দিকগুলোর প্রতি নজর দেন, তার উপর ভিত্তি করেই ম্যাচ ডটকম তাদের সমীক্ষাটি চালিয়েছে।

আর এই সমীক্ষায় ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে নারীর দাঁতই এখন প্রধান আকর্ষক বলে নির্বাচিত হয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে চালানো এই সমীক্ষা অনুযায়ী নারীর সৌন্দর্যের ১০টি দিকের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এই তালিকার অর্ধেক জুড়েই নারীর বাহ্যিক সৌন্দর্য উপকরণ স্থান করে নিয়েছে। তালিকায় এসব উপকরণের মধ্যে দাঁতের পরেই রয়েছে নারীর চুল, যা ভোট পেয়েছে প্রায় ৫১ শতাংশ।

একটি প্রথম সারির টুথপেস্ট প্রস্তুতকারক সংস্থার বিশেষজ্ঞদের দাবি, ‘প্রতিদিনের দাঁতের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন, তারা (দাঁত) আপনাকে এর প্রতিদান দেবে, বাড়িয়ে দেবে আত্মবিশ্বাস, তাই আপনার জমকালো হাসির জন্য আপনি হবেন গর্বিত।’ তারা আরও বলছেন, ‘হাসি নিয়ে লোকজন আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি সচেতন।আর আমাদের কাছে যে সব মক্কেল আসে তাদের বেশিরভাগেরই চাওয়া হল একটি প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর সাদা হাসি।’ এক সমীক্ষায় এই সংস্থা দেখেছে,

তাদের কাছে যে সমস্ত মক্কেল আসে তাদের মধ্যে প্রতি তিনজনের অন্তত একজন প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করে না। শুধু বিপরীত লি’ঙ্গের আকর্ষণের জন্যই নয়, প্রতিদিন দুই বেলা দাঁতের সুরক্ষা নিঃসন্দেহে বাড়িয়ে দেয় মানুষের আত্মবিশ্বাস।তথ্যসূত্র :vorerbartaa.com