কাউকে ছাড় দেবেন আর কাউকে ধরবেন, এটা হবে না - Vikaspedia

কাউকে ছাড় দেবেন আর কাউকে ধরবেন, এটা হবে না

আইন সবার জন্য সমান জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রী-এমপি, মেয়র এবং ক্ষমতাবানদের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই। কাউকে ছাড় দেবেন আর কাউকে ধরবেন এটা হবে না। রাষ্ট্র কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যদি অর্পিত দায়িত্ব সাহসিকতার সঙ্গে পালন করে তাহলে অবশ্যই পরিবর্তন আসবে।

রবিবার (১৩ মার্চ) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগর ভবনে আয়োজিত ‘নিরাপদ পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা: আমাদের করণীয় শীর্ষক কর্মশালা-২০২২’ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজধানীর পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি বাসা-বাড়ি এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে নিজস্ব সেপটিক ট্যাংক থাকতে হবে। সুয়ারেজ লাইন কোনোভাবে সরাসরি লেক অথবা খালে দেওয়া যাবে না বলে জানান তিনি।

ঢাকা শহরে আইন ও বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে অপরিকল্পিতভাবে অনেক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকা শহরের ৯৯ শতাংশ অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে নিয়ম অমান্য করে।

মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর অধিকাংশ বাসা-বাড়িতে সেপটিক ট্যাংক নেই। আর এই সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সুয়ারেজ লাইন খাল ও লেকে সরাসরি দিয়ে দেন। এতে করে খাল ও লেকের পানি দূষিত হয়ে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাঁচে না।

পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা জন্য সেপটিক ট্যাংক না রেখে কোনো বাসা-বাড়ি নির্মাণের অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই। নকশা অনুমোদন দেওয়ার পূর্বে এসব বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) নির্দেশ দেন তিনি।

সরকার খুব শিগগিরই ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাকে একটি আধুনিক, দৃষ্টি নন্দন ও বসবাসযোগ্য নগরী গড়তে উভয় সিটি করপোরেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই মধ্যে অনেক দখল হওয়া খাল উদ্ধার করা হয়েছে। খালগুলো সংস্কার ও পুনঃখনন করে নৌ চলাচলের উপযোগী করার কাজ চলছে।

গৃহীত কাজ সমাপ্ত হলে শহরের অনেক পরিবর্তন আসবে। উত্তরের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিসেফের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ সেলডন ইয়েট। এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সংক্রান্ত বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।