ছদ্মনামে বাসা ভাড়া, সুযোগ বুঝে চুরি করে তারা - Vikaspedia

ছদ্মনামে বাসা ভাড়া, সুযোগ বুঝে চুরি করে তারা

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছদ্মনাম ব্যবহার করে বাসা ভাড়া নিতো সদ্য গ্রেফতার হওয়া মোটরসাইকেলে চোর চক্রের সদস্যরা।এরপর সুযোগ বুঝে মোটরসাইকেল চুরি করে।

চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় অভিযান পরিচালনা করে সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৫ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় ৯টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) আবদুল ওয়ারিশ।তিনি বলেন, চক্রটি অনেক বড়।

চক্রে প্রায় ১৫-২০ জন সদস্য আছে। তারা চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন জায়গায় ছদ্মনাম পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে। এরপর সুযোগ বুঝে মোটরসাইকেল চুরি করে।

তিনি আরও বলেন, চক্রটি কয়েকটি ভাগে কাজ করে। এর মধ্যে একটি অংশ মোটরসাইকেল চুরি করে। অপর একটি অংশ চোরাই মোটরসাইকেলগুলো চালিয়ে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়।

সেসব স্থানে এগুলো বিক্রি করার জন্য চক্রের লোক থাকে। যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো যায় সেসব স্থানে চোরাই মোটরসাইকেলগুলো বিক্রি হয়ে থাকে।

চট্টগ্রামের হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হালিশহর থানার মাদার্য্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মো. আলমগীর হোসেন ও মো. নাহিদুল ইসলামকে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের কিনারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় মো. মন্নান নামে একজনকে আটক করা হয়। তার দোকান থেকে ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

এরপর চৌদ্দগ্রাম থেকে মো. বাবুল মিয়াকে আটক করা হয়। এসময় তার বসতঘর থেকে ৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এরপর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অভিযান পরিচালনা করে আব্দুল মালেক সোহাগ নামে একজনকে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়েছে।