থানার লকাপে হিরো আলম, মুচলেকায় মুক্তি - Vikaspedia

থানার লকাপে হিরো আলম, মুচলেকায় মুক্তি

থানার ভেতর হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ১ঘন্টা থানা হাজতে থাকার পর মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় এ ঘটে। এ সময় হিরো আলমের স্ত্রী নুসরাত থানায় উপস্থিত ছিলেন। হিরো আলমকে আটক করা হয়েছে এমন খবরে বিডি২৪লাইভ’র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আরেফিন সোহাগসহ কয়েক জন গণমাধ্যমকর্মীও রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় উপস্থিত হন।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাত ১০টায় থানার লকাপে রয়েছে হিরো আলম। কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারছে না থানার ভিতরে। ডিউটিরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য থেকে জানা যায় হিরো আলাম ও একজন সাংবাদিকের সাথে থানার তদন্ত অফিসারের রুমে মারামারির ঘটনা ঘটে। এরপর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহেবের নির্দেশে উভয়কে থানার লকাপে আটকে রাখা হয়।

এক পর্যায়ে ঘন্টা খানেক পর হিরো আলম ও আকাশ নিবির নামে ওই সাংবাদিককে লকাপ থেকে বের করে থানার একটি রুমে নিয়ে আসা হয়। যেখানে উপস্থিত দেখা গেছে হিরো আলমের স্ত্রী নুসরাতসহ বেশ কয়েকজনকে।

দীর্ঘ ২ঘণ্টার পর হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশীদের রুমে দুপক্ষের আলোচনার শুরু হয়। এরপর ওসির মধ্যস্ততায় দায়িত্ব দেয়া হয় থানার উপ পরিদর্শক এনামুল হককে। গণমাধ্যমকর্মীদের জিম্মায় রাত ১২:২০ মিনিটে মুচলেকা দিয়ে মীমাংসা রুপ নেয় বিষয়টি।

হাতিরঝিল থানার উপ পরিদর্শক এনামুল হক জানান, হিরো আলমকে একজন ৫০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। সেই ধার পরিশোধের জন্য বারবার তাগাদা দেওয়ার পরেও হিরো আলম সেই টাকা পরিশোধ করছিলেন না। পরে ভুক্তভোগী আকাশ রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরই প্রেক্ষিতে আলমকে থানায় ডাকা হয়। ভুক্তভোগী ও হিরো আলমকে মুখোমুখি করলে তারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে যান। পুলিশ তাদের লকআপে রাখে। পরে দুজনের মধ্যে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতিতে মীমাংসা করা হয়।

হাতাহাতির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেন, ‘আমার কাছে সে টাকা পেতো। এজন্য আমি তাকে সেই টাকার বিনিময়ে একটা ইউটিউব চ্যানেল দিয়েছিলাম। বহুদিন পরে সে ইউটিউব চ্যানেল ফেরত দিয়ে টাকা চায়। এখন আমি কেন টাকা দেবো? তার বোন এসে আমাকে হুমকি দিয়েছে। ’

ভুক্তভোগী আকাশ বলেন, ‘আমি টাকা পাই তার কাছে ৫০ হাজার। সে আমাকে টাকা নিয়ে দিয়ে আজ দেবো কাল দিব বলে ঘুরাচ্ছিল। যার ফলে আমি থানার দ্বারস্থ হয়েছি। কাল রাতে সেটার মীমাংসা হয়েছে সে আমাকে টাকা দিয়ে দেবে। ’