পুরুষেরা ৪টি গোপন কথা কখনোই বলে না - Vikaspedia

পুরুষেরা ৪টি গোপন কথা কখনোই বলে না

সবার জীবনেই এমন কিছু বিষয় থাকে যা খুব গোপন। সেই গোপন কথা গুলো তারা কারো সঙ্গেই শেয়ার করেন না। এই গোপনীয়তা যেমন নারীদের মধ্যে থাকে, তেমনই থাকে পুরুষদের মধ্যেও। আসলে পুরুষকে যতটা জটিল মনে হয় ততটা জটিল তারা নয়।

বিজ্ঞাপন

পুরুষেরা

পুরুষদের মনের অনেক স্তর রয়েছে যা অন্যরা সাধারণত দেখতে পায় না। তারা খুব গোপনে অনেককিছুই লালন করতে পারে। এতদিন ধরে যে গোপনীয়তাগুলো লুকিয়ে রেখেছেন, কোনো নারী জীবনে এসে তা উন্মোচন করে ফেলুক তা তারা চান না। জেনে নিন তেমন কয়েকটি গোপনীয়তা সম্পর্কে যা পুরুষরা কখনোই কাউকে বলে না, বিশেষ করে তাদের স্ত্রী কিংবা প্রেমিকাকে তো নয়-ই!

মানসিক সমর্থন প্রয়োজন : প্রত্যেক পুরুষেরই তার সঙ্গীর কাছ থেকে মানসিক সমর্থন প্রয়োজন কিন্তু তারা কখনোই তা উচ্চস্বরে স্বীকার করবে না। পুরুষরা সব সময় নিজেকে শক্তিশালী দেখাতে চেষ্টা করে। আবার সেইসঙ্গে তারা ভালোবাসাও অনুভব করতে চায়। দৈনন্দিন জীবনের চাপ সবাইকে প্রভাবিত করে। পুরুষেরাও এর ব্যতিক্রম নয়। তারা মনে মনে সমর্থন ও ভালোবাসা চায়, দুটো ভালো কথা শুনতে চায়। কিন্তু মুখ ফুটে কখনোই তা সঙ্গীকে বলবে না!

ভয় : পুরুষরা খুব কমই তাদের ভয় প্রকাশ করে কারণ তারা নিজেদের দুর্বল হিসেবে দেখতে চায় না। পুরুষদের শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাদের সমাজের সামনে সাহসী মুখ হিসেবে তুলে ধরা হয়। কিন্তু মাঝে মাঝে তারাও ভয়ে গ্রাস হতে পারে। তবে সেকথা তারা কখনোই মুখে স্বীকার করবে না।

দ্বন্দ্ব : পুরুষরা নারীদের মতো ছোটখাটো তুচ্ছ ঘটনা এবং দ্বন্দ্ব নিয়ে থাকতে পছন্দ করে না। কখনো কখনো, তাদের নারীরা কী নিয়ে লড়াই করছে সে সম্পর্কে তারা বুঝতেও পারে না। স্ত্রী বা প্রেমিকা যদি সামান্য বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব করে পুরুষেরা তাতে মোটেই মনোনিবেশ করতে চায় না। তবে একথা তারা মুখ ফুটে বলতেও পারে না।

দৃষ্টি : পুরুষরা এটা স্বীকার নাও করতে পারে তবে বেশিরভাগই পাশ দিয়ে যাওয়া প্রতিটি নারীর দিকে তাকায়। বেশিরভাগ পুরুষ চেহারা দ্বারা নারীদের মূল্যায়ন করতে থাকে। তারা কাউকে পছন্দ করার পরে, তাদের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়। তবে একথা স্বীকার করার থেকে না করাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে তারা মনে করে।