মহাসড়কে ডাকাতি করে গড়ে তোলা হয় বিশাল গরুর খামার - Vikaspedia

মহাসড়কে ডাকাতি করে গড়ে তোলা হয় বিশাল গরুর খামার

গাজীপুরে গরু ডাকাতি চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪১টি গরু উদ্ধার করা হয়। ডাকাতরা মহাসড়কে গরু ডাকাতির পর লুণ্ঠিত সব গরু দিয়ে আশুলিয়ার নাল্লাপোল্লা গ্রামে সাদিয়া ডেইরি ফার্ম নামে খামার গড়ে তুলেছিলো। মঙ্গলবার (১ লা মার্চ) দুপুরে ডিমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মলনে এসব তথ্য জানান পুলিশের উপ কমিশনার মো. জাকির হাসান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আশুলিয়ার দক্ষিণ নাল্লাপোল্লা গ্রামের সুমন, রংপুরের আসাদুজ্জামান বাবু, মানিকগঞ্জের শহিদুল ইসলাম, বগুড়ার আব্দুল মালেক, টাঙ্গাইল জেলার তুর্জয় রাজবংশী ওরফে জাইল্লা ও আশুলিয়ার আল আমিন।

পুলিশ কর্মকর্তা মো. জাকির হাসান জানান, আশুলিয়ার নাল্লাপোল্লা গ্রামের সাদিয়া ডেইরি ফার্ম নামের একটি খামারের মালিক সুমন। মূলত তার নেতৃত্বে মহাসড়কে গরু ডাকাতির পর লুণ্ঠিত সব পশু এই খামারেই রাখা হতো। দিনের পর দিন এভাবে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি করে আসছিল এই ডাকাত চক্র।

তিনি বলেন, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের চক্রবর্তী এলাকায় দিনাজপুর থেকে আসা একটি ট্রাক গতিরোধ করে ১৪টি গরু লুট করে ডাকাতরা। পরে এ ঘটনায় গরু মালিক সাদেক বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। এই মামলার সূত্র ধরেই গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সন্ধান পায় মূলহোতা সুমনের। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক আটক করে পুলিশ।

এ সময় ট্রাকের সহযোগী রাজ্জাক পালিয়ে গেলেও মূলহোতা সুমনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাদিয়া ডেইরি ফার্ম নামের ওই খামার থেকে ৪১টি গবাদি পশু উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী সময়ে সাভারের আশুলিয়া, গাজীপুর ও বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে তার সহযোগী অপর পাঁচ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপি পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ র্কমর্কতা। লুণ্ঠিত ৪১টি গরুর মধ্যে মালিকরা ১৩টি গরু শনাক্ত করেছে। অন্য গরুগুলো মালিকদের কাছে বুঝিয়ে দিতে কাজ করছে পুলিশ।